একজন মানুষের প্রতিদিন কতটা পানি পান করা উচিত? রোজার সময় কতটুকু পানি পান করবেন

একজন মানুষের প্রতিদিন কতটা পানি পান করা উচিত?

সুস্থ জীবনের জন্য পানি একটি অপরিহার্য উপাদান। আমরা প্রায়ই শুনি পানির অপর নাম জীবন। সুস্থ থাকতে এবং রোগ প্রতিরোধে মানুষের শরীরে প্রতিদিন পানির প্রয়োজন হয়। খাদ্য ছাড়া জীবন কঠিন, কিন্তু পানি ছাড়া জীবন অসম্ভব।

আমাদের শরীরের দুই তৃতীয়াংশ পানি। আমরা প্রতিদিন যেসব খাবার খাই- মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ভাত, রুটি, শাকসবজি, ফল সবই পানি থাকে। আমরা শুধু চুমুক দিয়ে পানি পান করি না, আমরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সব সময় পানি পান করি।

একজন মানুষের প্রতিদিন কতটা পানি পান করা উচিত? সুস্থ জীবনের জন্য পানি একটি অপরিহার্য উপাদান। আমরা প্রায়ই শুনি পানির অপর নাম জীবন। সুস্থ থাকতে এবং রোগ প্রতিরোধে মানুষের শরীরে প্রতিদিন পানির প্রয়োজন হয়। খাদ্য ছাড়া জীবন কঠিন, কিন্তু পানি ছাড়া জীবন অসম্ভব।  আমাদের শরীরের দুই তৃতীয়াংশ পানি। আমরা প্রতিদিন যেসব খাবার খাই- মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ভাত, রুটি, শাকসবজি, ফল সবই পানি থাকে। আমরা শুধু চুমুক দিয়ে পানি পান করি না, আমরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সব সময় পানি পান করি।  পরিমিত পরিমাণে পানি পানের বিষয়ে আধুনিক মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হলেও ইংল্যান্ড ও আমেরিকার চিকিৎসকরা বহু বছর ধরে সঠিক পরিমাণ পানির হিসাব করে আসছেন। 1945 সালে, ন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিলের ইউএস ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বোর্ড, পানি খাওয়ার সঠিক হিসাব দেওয়ার সময় বলেছিল যে একজন মহিলার প্রতি 1000 ক্যালোরির জন্য এক লিটার পানি প্রবেশ করা উচিত। একইভাবে, 2000 ক্যালরির খাবারের জন্য দুই লিটার পানি এবং 2500 ক্যালরির খাবারের জন্য আড়াই লিটার পানি খাওয়া উচিত। এই ক্ষেত্রে, এর সবই সরাসরি পানীয় জলের মাধ্যমে হতে হবে না, তবে প্রচুর পানি রয়েছে এমন ফল এবং শাকসবজিও পানির বিকল্প উত্স হতে পারে।  পানি কম খেলে কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য পরিষ্কার করতে পারবে না। প্রাপ্তবয়স্কদের দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা উচিত। পানির পিপাসা পেলেও আবার খেতে হয়।  যদি কেউ মূত্রনালীর সংক্রমণের প্রবণতা থাকে তবে অবশ্যই বেশি পানি পান করলে কিছু উপসর্গ উপশম হবে। এক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা হতে পারে।  প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরের 50-60 শতাংশ পানি। পানি স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং শরীরকে শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১-২ গ্লাস পানি পান করা ভালো। এই পানি শরীরের ডিহাইড্রেশন দূর করার পাশাপাশি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন মস্তিষ্ক, হার্ট, ফুসফুস, লিভার এবং কিডনিকে রক্ষা করে।  প্রাপ্তবয়স্ক এবং কর্মজীবী পুরুষ ও মহিলাদের প্রতিদিন দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। তবে প্রতিদিন কতটুকু পানি পান করবেন তা নির্ভর করে মূলত আবহাওয়া ও শারীরিক পরিশ্রমের ওপর। আবহাওয়ার কারণে শীতের তুলনায় গরমে শরীরে পানির চাহিদা বেড়ে যায়। আর যারা শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন, তাদের বেশি করে পানি পান করতে হবে। দিনের এক সময়ে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করার পরিবর্তে, আপনি সারা দিন সমান হারে পানি পান করতে পারেন। শরীরে যেন পানির ঘাটতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। দিনের যে কোন সময় পানি অবাধে খাওয়া যায়। এটা উপকারী।  প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন কমপক্ষে 8 থেকে 10 গ্লাস পানি (দুই লিটার) পান করা উচিত। 4-8 বছর বয়সী শিশুদের দিনে 1.1 থেকে 1.3 লিটার পানি পান করা উচিত। এবং 9-17 বছর বয়সীদের প্রতিদিন 1.3 থেকে 1.5 লিটার পানি পান করতে হবে।  পর্যাপ্ত পানি পান করা কিডনি, লিভার, হার্ট এবং মস্তিষ্কের জন্য ভালো। শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। পানি শরীরের ভেতরের কোষগুলোকে শক্তিশালী ও স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। পানির অভাব হলে এই কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বিশুদ্ধ পানি পানের ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। কারণ খাবার পানি বিশুদ্ধ না হলে ডায়রিয়া, কলেরা ও টাইফয়েডের মতো পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কমপক্ষে আধা ঘন্টা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ফুটিয়ে তারপর ঠান্ডা করে পানি জীবাণুমুক্ত করা যেতে পারে। অথবা পানীয় পানি সঠিকভাবে ফিল্টার করা যেতে পারে। এ ছাড়া বাজার থেকে বোতলজাত পানি কেনার সময় তা শুনেই কেনা উচিত। চিকিৎসকদের মতে, খাবার খাওয়ার অন্তত ১-২ ঘণ্টা পর পানি পান করা উচিত। এটি করা না হলে হজম রসের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে শুরু করে। ফলে সঠিকভাবে হজম না হওয়ায় বদহজম এবং গ্যাস-অম্বল জ্বালার মতো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।  যদিও পানিতে কোনো পুষ্টি নেই, তা জীবনের জন্য অপরিহার্য। আমাদের রক্তের 83%, আমাদের হাড়ে 22%, আমাদের মস্তিষ্কে 74%, আমাদের পেশীতে 75% অর্থাৎ আমাদের শরীরের দুই-তৃতীয়াংশ পানি। শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলির সঠিকভাবে কাজ করার জন্যও পানি প্রয়োজনীয়।     সুস্থ থাকতে রাতে কী করা উচিত? রাতের খাবার রাত ৯টার মধ্যে নিতে হবে। খুব অল্প পরিমাণে খাওয়া উচিত। সাধারণ নিরামিষ খাবার খান। স্বত্বিক খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। খাওয়ার পর একটু হাঁটাহাঁটি করা উচিত। মাদক ও ধূমপান এড়িয়ে চলাই ভালো। বেশিক্ষণ টিভি/মোবাইল না দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। রাত 10 টার মধ্যে বিছানায় যাওয়া ভাল। বেডরুমে হালকা নীল আলো শরীরের জন্য ভালো। ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার পা, হাত এবং ঘাড়ে পানি দেওয়া ভাল।    রোজার সময় কতটুকু পানি পান করবেন পবিত্র রমজান মাসে পানিশূন্যতার আশঙ্কা থাকে। আবহাওয়া আবার গরম হচ্ছে। রোজা অবস্থায় কেউ কেউ সাহরিতে প্রচুর পানি পান করেন, আবার কেউ কেউ ইফতারের শুরুতে কয়েক গ্লাস পানি পান করেন। পানি স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। তবে রোজার সময় কীভাবে পানি পান করবেন তা জানা জরুরি।  ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত অন্তত দুই লিটার পরিষ্কার, নিরাপদ পানি পান করতে ভুলবেন না। সেক্ষেত্রে ইফতার থেকে সাহরি বা রাতে ঘুমানোর সময় প্রতি ৩০ থেকে ৪০ মিনিট অন্তর ১০০০ থেকে ১৫০০ মিলিলিটার পানি পান করতে হবে। বিশেষ করে তারাবিহ নামাজের আগে ও পরে বোতলে পানি রেখে এই মোট পানি গ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।  রোজার এই মরসুমে আপনার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে, আপনার ত্বককে বিবর্ণ বা নোংরা হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বা গ্যাসের সমস্যা থেকে রক্ষা করার জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা একটি বড় সমাধান। জল ছাড়াও অন্যান্য তরল খাওয়া যেতে পারে। চিনি ছাড়া ডাবের পানি, লেবুর রস এবং মৌসুমি ফলের রস পান করলে এই পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়। দুধও এই তরল থেকে বাদ যায় না। দুধ ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং প্রোটিন এবং ফ্যাটের মতো অন্যান্য খনিজগুলির একটি ভাল উত্স। তবে উপবাসের সময় ঠান্ডা পানীয়, এনার্জি ড্রিংকস, যেকোনো রঙিন পানীয় এবং চা-কফি এড়িয়ে চলুন। তারা ডিহাইড্রেশন নিরাময় করে না, কিন্তু ক্ষতিকারক।  শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা রোজা রাখলে তারা পর্যাপ্ত পানি পান করছেন কি না সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।  সতর্কতা  প্রচণ্ড গরমে যেমন রান্নাঘরে বা শারীরিক পরিশ্রমের ক্ষেত্রে প্রতি এক থেকে দুই ঘণ্টা অন্তর ছায়ায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট বিশ্রাম নেওয়া উচিত। সাহরীতে কিছু না খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সাহরীতে উঠে পানি বা তরল খাবার পান করা উচিত। এতে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমে যাবে। রোজা অবস্থায় কারো বমি বা ডায়রিয়া হলে রোজা ভেঙ্গে স্যালাইন খাবার খেতে হবে। যারা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খাচ্ছেন, যাদের কিডনির সমস্যা আছে বা হার্ট ফেইলিউর আছে তাদের রোজা ও পানি খাওয়ার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পরিমিত পরিমাণে পানি পানের বিষয়ে আধুনিক মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হলেও ইংল্যান্ড আমেরিকার চিকিৎসকরা বহু বছর ধরে সঠিক পরিমাণ পানির হিসাব করে আসছেন। 1945 সালে, ন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিলের ইউএস ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বোর্ড, পানি খাওয়ার সঠিক হিসাব দেওয়ার সময় বলেছিল যে একজন মহিলার প্রতি 1000 ক্যালোরির জন্য এক লিটার পানি প্রবেশ করা উচিত। একইভাবে, 2000 ক্যালরির খাবারের জন্য দুই লিটার পানি এবং 2500 ক্যালরির খাবারের জন্য আড়াই লিটার পানি খাওয়া উচিত। এই ক্ষেত্রে, এর সবই সরাসরি পানীয় জলের মাধ্যমে হতে হবে না, তবে প্রচুর পানি রয়েছে এমন ফল এবং শাকসবজিও পানির বিকল্প উত্স হতে পারে।

পানি কম খেলে কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য পরিষ্কার করতে পারবে না। প্রাপ্তবয়স্কদের দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা উচিত। পানির পিপাসা পেলেও আবার খেতে হয়।

যদি কেউ মূত্রনালীর সংক্রমণের প্রবণতা থাকে তবে অবশ্যই বেশি পানি পান করলে কিছু উপসর্গ উপশম হবে। এক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা হতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরের 50-60 শতাংশ পানি পানি স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং শরীরকে শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে - গ্লাস পানি পান করা ভালো। এই পানি শরীরের ডিহাইড্রেশন দূর করার পাশাপাশি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন মস্তিষ্ক, হার্ট, ফুসফুস, লিভার এবং কিডনিকে রক্ষা করে।

প্রাপ্তবয়স্ক এবং কর্মজীবী পুরুষ মহিলাদের প্রতিদিন দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। তবে প্রতিদিন কতটুকু পানি পান করবেন তা নির্ভর করে মূলত আবহাওয়া শারীরিক পরিশ্রমের ওপর। আবহাওয়ার কারণে শীতের তুলনায় গরমে শরীরে পানির চাহিদা বেড়ে যায়। আর যারা শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন, তাদের বেশি করে পানি পান করতে হবে। দিনের এক সময়ে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করার পরিবর্তে, আপনি সারা দিন সমান হারে পানি পান করতে পারেন। শরীরে যেন পানির ঘাটতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। দিনের যে কোন সময় পানি অবাধে খাওয়া যায়। এটা উপকারী।

প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন কমপক্ষে 8 থেকে 10 গ্লাস পানি (দুই লিটার) পান করা উচিত। 4-8 বছর বয়সী শিশুদের দিনে 1.1 থেকে 1.3 লিটার পানি পান করা উচিত। এবং 9-17 বছর বয়সীদের প্রতিদিন 1.3 থেকে 1.5 লিটার পানি পান করতে হবে।

পর্যাপ্ত পানি পান করা কিডনি, লিভার, হার্ট এবং মস্তিষ্কের জন্য ভালো। শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। পানি শরীরের ভেতরের কোষগুলোকে শক্তিশালী স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। পানির অভাব হলে এই কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বিশুদ্ধ পানি পানের ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। কারণ খাবার পানি বিশুদ্ধ না হলে ডায়রিয়া, কলেরা টাইফয়েডের মতো পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কমপক্ষে আধা ঘন্টা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ফুটিয়ে তারপর ঠান্ডা করে পানি জীবাণুমুক্ত করা যেতে পারে। অথবা পানীয় পানি সঠিকভাবে ফিল্টার করা যেতে পারে। ছাড়া বাজার থেকে বোতলজাত পানি কেনার সময় তা শুনেই কেনা উচিত।

চিকিৎসকদের মতে, খাবার খাওয়ার অন্তত - ঘণ্টা পর পানি পান করা উচিত। এটি করা না হলে হজম রসের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে শুরু করে। ফলে সঠিকভাবে হজম না হওয়ায় বদহজম এবং গ্যাস-অম্বল জ্বালার মতো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

যদিও পানিতে কোনো পুষ্টি নেই, তা জীবনের জন্য অপরিহার্য। আমাদের রক্তের 83%, আমাদের হাড়ে 22%, আমাদের মস্তিষ্কে 74%, আমাদের পেশীতে 75% অর্থাৎ আমাদের শরীরের দুই-তৃতীয়াংশ পানি শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলির সঠিকভাবে কাজ করার জন্যও পানি প্রয়োজনীয়।

সুস্থ থাকতে রাতে কী করা উচিত?

  • রাতের খাবার রাত ৯টার মধ্যে নিতে হবে।
  • খুব অল্প পরিমাণে খাওয়া উচিত।
  • সাধারণ নিরামিষ খাবার খান। স্বত্বিক খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।
  • খাওয়ার পর একটু হাঁটাহাঁটি করা উচিত।
  • মাদক ধূমপান এড়িয়ে চলাই ভালো।
  • বেশিক্ষণ টিভি/মোবাইল না দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • রাত 10 টার মধ্যে বিছানায় যাওয়া ভাল।
  • বেডরুমে হালকা নীল আলো শরীরের জন্য ভালো।
  • ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার পা, হাত এবং ঘাড়ে পানি দেওয়া ভাল।

 রোজার সময় কতটুকু পানি পান করবেন

পবিত্র রমজান মাসে পানিশূন্যতার আশঙ্কা থাকে। আবহাওয়া আবার গরম হচ্ছে। রোজা অবস্থায় কেউ কেউ সাহরিতে প্রচুর পানি পান করেন, আবার কেউ কেউ ইফতারের শুরুতে কয়েক গ্লাস পানি পান করেন। পানি স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। তবে রোজার সময় কীভাবে পানি পান করবেন তা জানা জরুরি।

ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত অন্তত দুই লিটার পরিষ্কার, নিরাপদ পানি পান করতে ভুলবেন না। সেক্ষেত্রে ইফতার থেকে সাহরি বা রাতে ঘুমানোর সময় প্রতি ৩০ থেকে ৪০ মিনিট অন্তর ১০০০ থেকে ১৫০০ মিলিলিটার পানি পান করতে হবে। বিশেষ করে তারাবিহ নামাজের আগে পরে বোতলে পানি রেখে এই মোট পানি গ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

রোজার এই মরসুমে আপনার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে, আপনার ত্বককে বিবর্ণ বা নোংরা হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বা গ্যাসের সমস্যা থেকে রক্ষা করার জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা একটি বড় সমাধান। জল ছাড়াও অন্যান্য তরল খাওয়া যেতে পারে। চিনি ছাড়া ডাবের পানি, লেবুর রস এবং মৌসুমি ফলের রস পান করলে এই পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়। দুধও এই তরল থেকে বাদ যায় না। দুধ ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং প্রোটিন এবং ফ্যাটের মতো অন্যান্য খনিজগুলির একটি ভাল উত্স। তবে উপবাসের সময় ঠান্ডা পানীয়, এনার্জি ড্রিংকস, যেকোনো রঙিন পানীয় এবং চা-কফি এড়িয়ে চলুন। তারা ডিহাইড্রেশন নিরাময় করে না, কিন্তু ক্ষতিকারক।

শিশু বয়স্ক ব্যক্তিরা রোজা রাখলে তারা পর্যাপ্ত পানি পান করছেন কি না সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

সতর্কতা

প্রচণ্ড গরমে যেমন রান্নাঘরে বা শারীরিক পরিশ্রমের ক্ষেত্রে প্রতি এক থেকে দুই ঘণ্টা অন্তর ছায়ায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট বিশ্রাম নেওয়া উচিত। সাহরীতে কিছু না খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সাহরীতে উঠে পানি বা তরল খাবার পান করা উচিত। এতে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমে যাবে। রোজা অবস্থায় কারো বমি বা ডায়রিয়া হলে রোজা ভেঙ্গে স্যালাইন খাবার খেতে হবে। যারা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খাচ্ছেন, যাদের কিডনির সমস্যা আছে বা হার্ট ফেইলিউর আছে তাদের রোজা পানি খাওয়ার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ